পরিত্যক্ত ডায়রি · অধ্যায় ১/৫
পার্ট - ০১
“সুইসাইড করতে ইচ্ছে করে সারাক্ষণ। কোনো কিছুই ভালো লাগে না। জীবনটা অর্থহীন মনে হয়। বাঁচার কোনো ইচ্ছে নাই আমার। কেনো বাঁচবো! কার জন্য বাঁচবো! যাকেই আমি ভালোবাসি, সেই তো ধোঁকা দেয়।
তপুকে নিজের জীবনের থেকেও বেশি ভালোবাসছিলাম। কতো কি করছি ওর জন্য। আব্বু আন্মুর চোখে পানিও আনছি ওর জন্য। তপুও আমাকে ধোঁকা দিলো।
আমার এতো কষ্ট।
আল্লাহ্ কি কিচ্ছু দেখে নাহ্!
কতো মানুষ মারা যায় ডেইলি। আমি মরি নাহ্!
অনেকবার সুইসাইড করতে চেষ্টা করছি। কিন্তু সেটাও পারি নাই। কোনোনা কোনোভাবে বেঁচে গেছি।
ওরনা দিয়ে ফ্যানের সাথে ঝুলছিলাম। কিন্তু ওরনা ঠিক করে বাধা হয় নাই। তাই ধপাস করে পরে, কোমরে ও বাম পায়ে ব্যথা পাইছি। আর সাথে গলায় তো ফাঁসির দাগ আছেই।
একসাথে ৫ পাতা হিস্টাসিন খাইছিলাম।
তারপর, টানা ১৫ ঘন্টা ঘুমিয়ে আমি আবার সজাগ।এমনিতেই আমি ডেইলি ১০/১২ ঘন্টা ঘুমাই। তাই টানা ১৫ ঘন্টা ঘুমানোটা বাসার কারো কাছেই অস্বাভাবিক কিছু লাগে নাই। নাহয় কেউ হয়তো খেয়ালই করে নাই।
কেউই আমাকে ভালোবাসে নাহ্!”
এইটুকু লিখেই চোখ ঝাপসা হয়ে এলো ইন্তিহার। দুনিয়া জোড়া কান্না পাচ্ছে ওর। নীল মলাটের ডায়রিটা টেবিল থেকে সরিয়ে অনেক্ষন বাচ্চাদের মত কাঁদলো। তারপর, নীরবে ফ্যানের দিকে তাকিয়ে ভাবতে থাকলো, ঠিক কিভাবে ওরনা বাধলে আর খুলে যাবে না। ইদানীং, কিছুই ভালো লাগে না ইন্তিহার। এ ব্যাপারটা একবার দীপ্তিকে বলেছিলো। দীপ্তি বললো সাইকোলজিস্ট দেখাতে।
মাথা খারাপ, নাকি!
ওতো আর পাগল হয়ে যায়নি। সাইকোলজিস্ট কেনো।ইশ্! তপুর সাথে যদি একটু কথা বলা যেতো! হয়ত একটু ভালো লাগতো।
কাঁদতে কাঁদতে কখন যেন ঘুমিয়ে পড়লো ইন্তিহা।
তপুকে নিজের জীবনের থেকেও বেশি ভালোবাসছিলাম। কতো কি করছি ওর জন্য। আব্বু আন্মুর চোখে পানিও আনছি ওর জন্য। তপুও আমাকে ধোঁকা দিলো।
আমার এতো কষ্ট।
আল্লাহ্ কি কিচ্ছু দেখে নাহ্!
কতো মানুষ মারা যায় ডেইলি। আমি মরি নাহ্!
অনেকবার সুইসাইড করতে চেষ্টা করছি। কিন্তু সেটাও পারি নাই। কোনোনা কোনোভাবে বেঁচে গেছি।
ওরনা দিয়ে ফ্যানের সাথে ঝুলছিলাম। কিন্তু ওরনা ঠিক করে বাধা হয় নাই। তাই ধপাস করে পরে, কোমরে ও বাম পায়ে ব্যথা পাইছি। আর সাথে গলায় তো ফাঁসির দাগ আছেই।
একসাথে ৫ পাতা হিস্টাসিন খাইছিলাম।
তারপর, টানা ১৫ ঘন্টা ঘুমিয়ে আমি আবার সজাগ।এমনিতেই আমি ডেইলি ১০/১২ ঘন্টা ঘুমাই। তাই টানা ১৫ ঘন্টা ঘুমানোটা বাসার কারো কাছেই অস্বাভাবিক কিছু লাগে নাই। নাহয় কেউ হয়তো খেয়ালই করে নাই।
কেউই আমাকে ভালোবাসে নাহ্!”
এইটুকু লিখেই চোখ ঝাপসা হয়ে এলো ইন্তিহার। দুনিয়া জোড়া কান্না পাচ্ছে ওর। নীল মলাটের ডায়রিটা টেবিল থেকে সরিয়ে অনেক্ষন বাচ্চাদের মত কাঁদলো। তারপর, নীরবে ফ্যানের দিকে তাকিয়ে ভাবতে থাকলো, ঠিক কিভাবে ওরনা বাধলে আর খুলে যাবে না। ইদানীং, কিছুই ভালো লাগে না ইন্তিহার। এ ব্যাপারটা একবার দীপ্তিকে বলেছিলো। দীপ্তি বললো সাইকোলজিস্ট দেখাতে।
মাথা খারাপ, নাকি!
ওতো আর পাগল হয়ে যায়নি। সাইকোলজিস্ট কেনো।ইশ্! তপুর সাথে যদি একটু কথা বলা যেতো! হয়ত একটু ভালো লাগতো।
কাঁদতে কাঁদতে কখন যেন ঘুমিয়ে পড়লো ইন্তিহা।