আমরা সেই সে জাতি (২য় খন্ড) - আবুল আসাদ · অধ্যায় ৬১/৯০
(৬১) বিবেক যখন সচেতন থাকে
বিবেক যখন সচেতন থাকে
একদা স্পেনের শাসক আল-মানসূর কিছু বন্দীর প্রতি ক্ষমা ঘোষণার হুকুম দিলেন।
সেই বন্দীদের তালিকার প্রতি তিনি যখন নজর বুলাচ্ছিলেন, তখন তালিকার একটি নামের উপর তার চোখ আটকে গেল। ঐ লোকটির সাথে তাঁর প্রবল শত্রুতা ছিল।
তিনি তৎক্ষণাৎ এ বন্দীর নামের পাশে লিখে দিলেন, মৃত্যু যতদিন একে গ্রাস না করে ততদিন একে বন্দী করে রাখ।
কিন্তু সে রাতে আল-মানসূর ঘুমাতে পারলেন না।
বিবেকের দংশনে তিনি ক্ষত-বিক্ষত হতে লাগলেন।
আধা-ঘুম, আধা-জাগরণের মধ্যে তিনি দেখলেন, কে একজন তাঁকে বলছে, ‘সেই মানুষটিকে ছেড়ে দাও অথবা ঐ লোকটির প্রতি যে অবিচার করেছ তার জরিমানা আদায় কর।’
অবশেষে আল-মানসূর ঐ রাতেই লোকটির ফাইল আনিয়ে নিলেন এবং তাতে এই নির্দেশ লিখলেনঃ “বন্দী মুক্ত। এই বন্দীর মুক্তির জন্য সব প্রশংসা আল্লাহর।”
একদা স্পেনের শাসক আল-মানসূর কিছু বন্দীর প্রতি ক্ষমা ঘোষণার হুকুম দিলেন।
সেই বন্দীদের তালিকার প্রতি তিনি যখন নজর বুলাচ্ছিলেন, তখন তালিকার একটি নামের উপর তার চোখ আটকে গেল। ঐ লোকটির সাথে তাঁর প্রবল শত্রুতা ছিল।
তিনি তৎক্ষণাৎ এ বন্দীর নামের পাশে লিখে দিলেন, মৃত্যু যতদিন একে গ্রাস না করে ততদিন একে বন্দী করে রাখ।
কিন্তু সে রাতে আল-মানসূর ঘুমাতে পারলেন না।
বিবেকের দংশনে তিনি ক্ষত-বিক্ষত হতে লাগলেন।
আধা-ঘুম, আধা-জাগরণের মধ্যে তিনি দেখলেন, কে একজন তাঁকে বলছে, ‘সেই মানুষটিকে ছেড়ে দাও অথবা ঐ লোকটির প্রতি যে অবিচার করেছ তার জরিমানা আদায় কর।’
অবশেষে আল-মানসূর ঐ রাতেই লোকটির ফাইল আনিয়ে নিলেন এবং তাতে এই নির্দেশ লিখলেনঃ “বন্দী মুক্ত। এই বন্দীর মুক্তির জন্য সব প্রশংসা আল্লাহর।”