আমরা সেই সে জাতি (২য় খন্ড) - আবুল আসাদ · অধ্যায় ৪৭/৯০
(৪৭) জননেতা হয়ে উমার বিন আবদুল আযীয জনতার কাতারে নেমে এলেন
জননেতা হয়ে উমার বিন আবদুল আযীয জনতার কাতারে নেমে এলেন
খলীফা সুলাইমানের মৃত্যুর পর উমার বিন আবদুল আযীয ইসলামী বিশ্বের খলীফার দায়িত্ব নিয়ে দামেস্কের সিংহাসনে বসেন।
খলীফা হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত রাজকীয় প্রাচুর্যের মধ্যে তাঁর জীবন কেটেছে। কিন্তু জনগণের নেতা হবার পর সব প্রাচুর্য তিনি ছুঁড়ে ফেললেন, নেমে এলেন জনগণের কাতারে।
তিনি খলীফা নির্বাচিত হবার পর খলীফার প্রাসাদের দিকে চলছেন। রাস্তার দুধারে কাতারে কাতারে দাঁড়ানো আছে সৈন্যের দল।
খলীফা জিজ্ঞেস করলেন, ‘এরা কারা?’ উত্তর এলো, ‘এরা আপনার দেহরক্ষী সৈন্য।’
খলীফা বললেন, ‘প্রয়োজন মতো এদের বাইরে পাঠিয়ে দাও। আমার দেহরক্ষীর প্রয়োজন নেই। জনগণের ভালবাসাই আমার প্রতিরক্ষা।’
প্রধান সেনাপতি সশ্রদ্ধ সালাম জানিয়ে তাঁর নির্দেশ পালনের প্রতিশ্রুতি দিলেন।
উমার বিন আবদুল আযীয প্রাসাদে ঢুকলেন। দেখলেন, সেখানে ৮শ’ দাস তাঁর অপেক্ষায় দণ্ডায়মান। জিজ্ঞাসা করে জানলেন, এরা তাঁরই সেবার জন্যে। খলীফা প্রধানমন্ত্রীকে বললেন, ‘এদের মুক্ত করে দিন। আমার সেবার জন্য আমার স্ত্রীই যথেষ্ট।’
প্রধানমন্ত্রী তাঁর হুকুম তামিল করলেন।
খলীফা সুলাইমানের মৃত্যুর পর উমার বিন আবদুল আযীয ইসলামী বিশ্বের খলীফার দায়িত্ব নিয়ে দামেস্কের সিংহাসনে বসেন।
খলীফা হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত রাজকীয় প্রাচুর্যের মধ্যে তাঁর জীবন কেটেছে। কিন্তু জনগণের নেতা হবার পর সব প্রাচুর্য তিনি ছুঁড়ে ফেললেন, নেমে এলেন জনগণের কাতারে।
তিনি খলীফা নির্বাচিত হবার পর খলীফার প্রাসাদের দিকে চলছেন। রাস্তার দুধারে কাতারে কাতারে দাঁড়ানো আছে সৈন্যের দল।
খলীফা জিজ্ঞেস করলেন, ‘এরা কারা?’ উত্তর এলো, ‘এরা আপনার দেহরক্ষী সৈন্য।’
খলীফা বললেন, ‘প্রয়োজন মতো এদের বাইরে পাঠিয়ে দাও। আমার দেহরক্ষীর প্রয়োজন নেই। জনগণের ভালবাসাই আমার প্রতিরক্ষা।’
প্রধান সেনাপতি সশ্রদ্ধ সালাম জানিয়ে তাঁর নির্দেশ পালনের প্রতিশ্রুতি দিলেন।
উমার বিন আবদুল আযীয প্রাসাদে ঢুকলেন। দেখলেন, সেখানে ৮শ’ দাস তাঁর অপেক্ষায় দণ্ডায়মান। জিজ্ঞাসা করে জানলেন, এরা তাঁরই সেবার জন্যে। খলীফা প্রধানমন্ত্রীকে বললেন, ‘এদের মুক্ত করে দিন। আমার সেবার জন্য আমার স্ত্রীই যথেষ্ট।’
প্রধানমন্ত্রী তাঁর হুকুম তামিল করলেন।