আমরা সেই সে জাতি (২য় খন্ড) - আবুল আসাদ · অধ্যায় ৬০/৯০
(৬০) শাসক আল-মানসূর প্রিয় ঢাল রক্ষকের বিচার করলেন
শাসক আল-মানসূর প্রিয় ঢাল রক্ষকের বিচার করলেন
স্পেনের নাবালক সুলতান দ্বিতীয় হিশামের সময় রাজ্যের প্রকৃত শাসক ছিলেন আল-মানসূর। তাঁর কৃতিত্বের জন্য ঐতিহাসিকরা তাঁকে ‘দশম শতাব্দীর বিসমার্ক’ বলে অভিহিত করেছেন। ঐতিহাসিক ডোজি বলেছেন, ‘শুধু দেশ নয়, সভ্যতাও তাঁর কাছে ঋণী।’
আল-মানসূর ন্যায় বিচারক হিসেবেও ছিলেন বিখ্যাত। বিচারে তিনি ব্যাক্তিকে দেখতেন না, দেখতেন ন্যায়-নীতিকে।
একদিনের ঘটনা।
একজন সাধারণ মানুষ আল-মানসূরের কাছে গিয়ে অভিযোগ করলো, ‘হে ন্যায়বিচারক, আপনার ঢাল রক্ষক, যাকে আপনি প্রভূত সম্মান দিয়েছেন, আমার সাথে চুক্তি ভঙ্গ করেছে। বিচারের জন্য কাজীর এজলাসেও তাকে হাযির করা যায়নি।’
আল-মানসূর চিৎকার করে বললেন, ‘কি! সে কোর্টে হাযির হতে অস্বীকার করেছে। আর কাজী তাকে হাযির হতে বাধ্য করেনি?’
আল-মানসূর ঢালরক্ষককে বললেন, ‘তুমি তোমার পরবর্তী লোককে তোমার দায়িত্ব দিয়ে বিনীতভাবে গিয়ে কাজীর দরবারে হাযির হও।’ তারপর তিনি পুলিশের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘এই দুই লোককে কাজীর কাছে নিয়ে যাও। কাজীকে গিয়ে বলো, আমার ঢালরক্ষক একজনের সাথে চুক্তি ভঙ্গ করেছে, তার উপযুক্ত শাস্তি আমি চাই।’
বাদী লোকটি তার মামলায় জিতে গেল। সে ধন্যবাদ জানানোর জন্য আল-মানসূরের কাছে এলো। আল-মানসূর বললেন, ‘তোমার ধন্যবাদ থেকে আমাকে রক্ষা করো। ভাল, তুমি মামলা জিতেছ এবং সন্তুষ্ট হতে পেরেছ। কিন্তু আমি সন্তুষ্ট হতে পারছিনা। আমার চাকরিতে থেকে যে আইন সে লংঘন করেছে, তার শাস্তি তার বাকী আছে।’
স্পেনের নাবালক সুলতান দ্বিতীয় হিশামের সময় রাজ্যের প্রকৃত শাসক ছিলেন আল-মানসূর। তাঁর কৃতিত্বের জন্য ঐতিহাসিকরা তাঁকে ‘দশম শতাব্দীর বিসমার্ক’ বলে অভিহিত করেছেন। ঐতিহাসিক ডোজি বলেছেন, ‘শুধু দেশ নয়, সভ্যতাও তাঁর কাছে ঋণী।’
আল-মানসূর ন্যায় বিচারক হিসেবেও ছিলেন বিখ্যাত। বিচারে তিনি ব্যাক্তিকে দেখতেন না, দেখতেন ন্যায়-নীতিকে।
একদিনের ঘটনা।
একজন সাধারণ মানুষ আল-মানসূরের কাছে গিয়ে অভিযোগ করলো, ‘হে ন্যায়বিচারক, আপনার ঢাল রক্ষক, যাকে আপনি প্রভূত সম্মান দিয়েছেন, আমার সাথে চুক্তি ভঙ্গ করেছে। বিচারের জন্য কাজীর এজলাসেও তাকে হাযির করা যায়নি।’
আল-মানসূর চিৎকার করে বললেন, ‘কি! সে কোর্টে হাযির হতে অস্বীকার করেছে। আর কাজী তাকে হাযির হতে বাধ্য করেনি?’
আল-মানসূর ঢালরক্ষককে বললেন, ‘তুমি তোমার পরবর্তী লোককে তোমার দায়িত্ব দিয়ে বিনীতভাবে গিয়ে কাজীর দরবারে হাযির হও।’ তারপর তিনি পুলিশের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘এই দুই লোককে কাজীর কাছে নিয়ে যাও। কাজীকে গিয়ে বলো, আমার ঢালরক্ষক একজনের সাথে চুক্তি ভঙ্গ করেছে, তার উপযুক্ত শাস্তি আমি চাই।’
বাদী লোকটি তার মামলায় জিতে গেল। সে ধন্যবাদ জানানোর জন্য আল-মানসূরের কাছে এলো। আল-মানসূর বললেন, ‘তোমার ধন্যবাদ থেকে আমাকে রক্ষা করো। ভাল, তুমি মামলা জিতেছ এবং সন্তুষ্ট হতে পেরেছ। কিন্তু আমি সন্তুষ্ট হতে পারছিনা। আমার চাকরিতে থেকে যে আইন সে লংঘন করেছে, তার শাস্তি তার বাকী আছে।’