হযরত ইলিয়াস (আঃ) · অধ্যায় ১১/১১
(১১) শিক্ষণীয় বিষয় সমূহ
শিক্ষণীয় বিষয় সমূহঃ
(১) আহলে কিতাব হওয়া সত্ত্বেও এবং নিজেদের গোত্রে হাযার হাযার নবীর আগমন সত্ত্বেও বনু ইস্রাঈলগণ মূর্তিপূজায় অভ্যস্ত হয়েছিল প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও প্রচারের অভাবে। একইভাবে যদি ইসলামের বিশুদ্ধ আক্বাদী ও আমলের প্রচার ও প্রসার না থাকে, তবে একদিন মুসলিমদের হাতেই ইসলামের চূড়ান্ত ক্ষতি হবে। ইতিমধ্যে মুসলিম দেশ সমূহের অভ্যন্তরে দুনিয়াপূজারী ধর্মনেতাদের হাত দিয়ে পীরপূজা, কবর পূজা ইত্যাদির মাধ্যমে উক্ত শিরকের রমরমা বাজার চলছে।
(২) শিরকের প্রবর্তন রাষ্ট্র ও সমাজনেতাদের মাধ্যমে হ’লে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থায়িত্ব লাভ করে। যেমন ইস্রাঈলের রাণী ইযবীলের মাধ্যমে বা‘ল মূর্তির পূজা শুরু হয়েছিল। পরে সারা দেশে তা চালু হয়ে যায়।
(৩) সমাজ সংস্কারক ব্যক্তিকে আপোষহীনভাবে স্রেফ আল্লাহর উপরে ভরসা করে তাওহীদ বিরোধী কাজের সংস্কারে নামতে হয়। যেভাবে ইলিয়াস (আঃ) একাকী উক্ত কাজে নেমেছিলেন।
(৪) মৃত ব্যক্তি বা তার কবরের কোন প্রভাব জীবিত ব্যক্তিদের উপরে পড়ে না। যেমন বায়তুল মুক্বাদ্দাসের আশপাশে হযরত ইবরাহীম, ইসহাক্ব, ইয়াকূব, মূসা, হারূণ, দাঊদ, সুলায়মান সহ বিগত যুগের শত শত জলীলুল ক্বদর নবীর কবর থাকা সত্ত্বেও তাদের বুকের উপরে সংঘটিত বা‘ল দেবমূর্তি পূজার ব্যাপারে তাদের কোন প্রভাব তাদের স্বগোত্রীয় বনু ইস্রাঈলদের উপরে পড়েনি।
(৫) সর্বদা সমাজের কিছু ন্যায়নিষ্ঠ মানুষকে তাওহীদের প্রচার ও প্রসারে আত্মনিয়োগ করতে হয়। সবাইকে দিয়ে একাজ সম্ভব নয়। যেমন ইসরাঈলে যোগ্য লোক না থাকায় আল্লাহ পাক জর্ডান থেকে ইলিয়াসকে পাঠান তাদের হেদায়াতের জন্য।
লেখকঃ প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
(১) আহলে কিতাব হওয়া সত্ত্বেও এবং নিজেদের গোত্রে হাযার হাযার নবীর আগমন সত্ত্বেও বনু ইস্রাঈলগণ মূর্তিপূজায় অভ্যস্ত হয়েছিল প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও প্রচারের অভাবে। একইভাবে যদি ইসলামের বিশুদ্ধ আক্বাদী ও আমলের প্রচার ও প্রসার না থাকে, তবে একদিন মুসলিমদের হাতেই ইসলামের চূড়ান্ত ক্ষতি হবে। ইতিমধ্যে মুসলিম দেশ সমূহের অভ্যন্তরে দুনিয়াপূজারী ধর্মনেতাদের হাত দিয়ে পীরপূজা, কবর পূজা ইত্যাদির মাধ্যমে উক্ত শিরকের রমরমা বাজার চলছে।
(২) শিরকের প্রবর্তন রাষ্ট্র ও সমাজনেতাদের মাধ্যমে হ’লে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থায়িত্ব লাভ করে। যেমন ইস্রাঈলের রাণী ইযবীলের মাধ্যমে বা‘ল মূর্তির পূজা শুরু হয়েছিল। পরে সারা দেশে তা চালু হয়ে যায়।
(৩) সমাজ সংস্কারক ব্যক্তিকে আপোষহীনভাবে স্রেফ আল্লাহর উপরে ভরসা করে তাওহীদ বিরোধী কাজের সংস্কারে নামতে হয়। যেভাবে ইলিয়াস (আঃ) একাকী উক্ত কাজে নেমেছিলেন।
(৪) মৃত ব্যক্তি বা তার কবরের কোন প্রভাব জীবিত ব্যক্তিদের উপরে পড়ে না। যেমন বায়তুল মুক্বাদ্দাসের আশপাশে হযরত ইবরাহীম, ইসহাক্ব, ইয়াকূব, মূসা, হারূণ, দাঊদ, সুলায়মান সহ বিগত যুগের শত শত জলীলুল ক্বদর নবীর কবর থাকা সত্ত্বেও তাদের বুকের উপরে সংঘটিত বা‘ল দেবমূর্তি পূজার ব্যাপারে তাদের কোন প্রভাব তাদের স্বগোত্রীয় বনু ইস্রাঈলদের উপরে পড়েনি।
(৫) সর্বদা সমাজের কিছু ন্যায়নিষ্ঠ মানুষকে তাওহীদের প্রচার ও প্রসারে আত্মনিয়োগ করতে হয়। সবাইকে দিয়ে একাজ সম্ভব নয়। যেমন ইসরাঈলে যোগ্য লোক না থাকায় আল্লাহ পাক জর্ডান থেকে ইলিয়াসকে পাঠান তাদের হেদায়াতের জন্য।
লেখকঃ প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব