এই দুনিয়াতে যে যাকে ভালোবাসে কেয়ামতের দিন হাশর তার সাথেই হবে
২ মিনিটে পড়ুন১৮ ডিসেম্বর ২০২১

আসহাবে সুফফার একজন খুবই গরীব সাহাবি রাবিয়া বিন আসলামি (রাঃ)। একদিন প্রিয় নবীজি (সাঃ) এর জন্য ওযুর পানি নিয়ে এলেন। জরাজীর্ণ জামা, অভুক্ত চেহারা, হতদরিদ্র এই সাথীকে দেখে নবীজি (সাঃ)-এর মায়া হলো। তিনি বললেন,
-"রাবিয়া, তুমি আমার কাছে কিছু চাও।"
-সাহাবী চাইলেন, "ইয়া রাসূলুল্লাহ! জান্নাতে আমি আপনার সাথে থাকতে চাই।"
-নবীজি (সাঃ) বললেন, "আচ্ছা তা ঠিক আছে, কিন্তু এখন কিছু চাও।"
-রাবিয়া আবারও চাইলেন, "ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি জান্নাতে আপনার সাথে থাকতে চাই। আর কিছু না।"
যে নবী আল্লাহর কাছে হাত তোলে দু'আ করলে আল্লাহ্ আসমান থেকে সোনার পাহাড় এনে তাঁর হাতে তুলে দিতে পারেন, এমনটা জেনেও দু'বেলা খেতে না পারা যুবক সাহাবী রাবিয়া শুধু একটা জিনিসই চেয়েছেন, যেন জান্নাতে প্রিয় নবীজি (সাঃ) তাঁর প্রতিবেশী হয়।
আরেকজন সাহাবী একদিন রাসূল (সাঃ)-কে এসে বললেন, "ইয়া রাসূলুল্লাহ! যখন আমি আপনার সাথে থাকি আমার হৃদয় প্রশান্তি আসে, আমার ভালো লাগে। কিন্তু যখন আপনাকে ছেড়ে আমি আমার পরিবারের কাছে যাই, আমি আপনাকে খুব মিস করি, আপনাকে দেখার জন্য ব্যাকুল হয়ে পড়ি। তারপর যখন আবার আপনার কাছে এসে আপনাকে দেখি, আমার চোখ জুড়ায়, হৃদয় আমার প্রশান্তিতে ভরে উঠে। কিন্তু পরক্ষণেই আবার ভাবি, একদিন আপনিও মারা যাবেন, আমিও। একদিন আপনি সর্বোত্তম জান্নাতে থাকবেন। আমি যদিও কোনভাবে জান্নাতে যেতে পারি, আপনার সাথে তো থাকার সুযোগ হবে না, হয়তো আমার স্থান হবে আপনার চেয়ে নিচু কোন জান্নাতে। কিন্তু জান্নাত কীভাবে আমার কাছে জান্নাত হবে, যদি সেখানে আপনাকে না পাই ইয়া রাসূলুল্লাহ!
সাহাবীর এই কথা শুনে কিছুক্ষণের জন্য রাসূল (সাঃ) নিশ্চুপ ছিলেন, তিনি কোন উত্তর দিতে পারেননি। সেই সময় আসমান থেকে জিবিরীল (আঃ) নেমে আসলেন। আর নবীজি (সাঃ)কে জানালেন, আপনার উম্মতকে বলে দিন, "এই দুনিয়াতে যে যাকে ভালোবাসে কেয়ামতের দিন হাশর তার সাথেই হবে।"
প্রিয় ভাইয়েরা, আপনারা যদি শাহরুখ খান, সালমান খান, আমির খানদের ভালোবাসেন, আপনারা যদি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, মেসিদের ভালোবাসেন, টম ক্রুসে, লিওনার্দো ডিকাপ্রিওকে ভালোবাসেন, আপনারা যদি তাহসান, আয়মান সাদিকদের ভালোবাসেন, আপনারা যদি আপনাদের রাজনৈতিক নেতাদেরকে ভালোবাসেন এবং বিভিন্ন কাজে তাদের অনুসরণ করেন, আল্লাহর কথামতো না চলে তাদের কথামতো চলেন, তাদের লাইফ স্টাইল ফলো করেন তবে আপনাদেরও তাদের সাথেই হাশর হবে। আল্লাহ আমাদেরকে জীবনের সব ক্ষেত্রে আল্লাহ, রাসূল (সা:) এবং সাহাবীদেরকে অনুসরণ করার তৌফিক দান করুক।
আকাশের ওপারে, অনিন্দ্য সুন্দর জান্নাতে আল্লাহ্ যেন আমাদেরকেও একটি করে ঘর বানিয়ে দেন। যে ঘরের পাশেই কোথাও প্রিয় নিবীজিও থাকবেন। কোথাও থাকবেন আবু বকর (রাঃ), কোথাও উমার (রাঃ)। আমরা সেদিন বলবো, দুনিয়াতে আপনাদেরকে আমরা ভালবাসতাম। সব বিষয়ে আপনাদের কথামতো চলতাম, আপনাদের নিজ হাতে তৈরী করা ইসলামী শাসন ব্যবস্থা তথা খিলাফত ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করেছিলাম। তাই জান্নাতে এসে একদিন আপনাদের সাথে মিলিত হওয়ার স্বপ্ন দেখতাম।
আল্লাহ্ যেন আমাদেরকে কবুল করেন। আমীন।
-"রাবিয়া, তুমি আমার কাছে কিছু চাও।"
-সাহাবী চাইলেন, "ইয়া রাসূলুল্লাহ! জান্নাতে আমি আপনার সাথে থাকতে চাই।"
-নবীজি (সাঃ) বললেন, "আচ্ছা তা ঠিক আছে, কিন্তু এখন কিছু চাও।"
-রাবিয়া আবারও চাইলেন, "ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি জান্নাতে আপনার সাথে থাকতে চাই। আর কিছু না।"
যে নবী আল্লাহর কাছে হাত তোলে দু'আ করলে আল্লাহ্ আসমান থেকে সোনার পাহাড় এনে তাঁর হাতে তুলে দিতে পারেন, এমনটা জেনেও দু'বেলা খেতে না পারা যুবক সাহাবী রাবিয়া শুধু একটা জিনিসই চেয়েছেন, যেন জান্নাতে প্রিয় নবীজি (সাঃ) তাঁর প্রতিবেশী হয়।
আরেকজন সাহাবী একদিন রাসূল (সাঃ)-কে এসে বললেন, "ইয়া রাসূলুল্লাহ! যখন আমি আপনার সাথে থাকি আমার হৃদয় প্রশান্তি আসে, আমার ভালো লাগে। কিন্তু যখন আপনাকে ছেড়ে আমি আমার পরিবারের কাছে যাই, আমি আপনাকে খুব মিস করি, আপনাকে দেখার জন্য ব্যাকুল হয়ে পড়ি। তারপর যখন আবার আপনার কাছে এসে আপনাকে দেখি, আমার চোখ জুড়ায়, হৃদয় আমার প্রশান্তিতে ভরে উঠে। কিন্তু পরক্ষণেই আবার ভাবি, একদিন আপনিও মারা যাবেন, আমিও। একদিন আপনি সর্বোত্তম জান্নাতে থাকবেন। আমি যদিও কোনভাবে জান্নাতে যেতে পারি, আপনার সাথে তো থাকার সুযোগ হবে না, হয়তো আমার স্থান হবে আপনার চেয়ে নিচু কোন জান্নাতে। কিন্তু জান্নাত কীভাবে আমার কাছে জান্নাত হবে, যদি সেখানে আপনাকে না পাই ইয়া রাসূলুল্লাহ!
সাহাবীর এই কথা শুনে কিছুক্ষণের জন্য রাসূল (সাঃ) নিশ্চুপ ছিলেন, তিনি কোন উত্তর দিতে পারেননি। সেই সময় আসমান থেকে জিবিরীল (আঃ) নেমে আসলেন। আর নবীজি (সাঃ)কে জানালেন, আপনার উম্মতকে বলে দিন, "এই দুনিয়াতে যে যাকে ভালোবাসে কেয়ামতের দিন হাশর তার সাথেই হবে।"
প্রিয় ভাইয়েরা, আপনারা যদি শাহরুখ খান, সালমান খান, আমির খানদের ভালোবাসেন, আপনারা যদি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, মেসিদের ভালোবাসেন, টম ক্রুসে, লিওনার্দো ডিকাপ্রিওকে ভালোবাসেন, আপনারা যদি তাহসান, আয়মান সাদিকদের ভালোবাসেন, আপনারা যদি আপনাদের রাজনৈতিক নেতাদেরকে ভালোবাসেন এবং বিভিন্ন কাজে তাদের অনুসরণ করেন, আল্লাহর কথামতো না চলে তাদের কথামতো চলেন, তাদের লাইফ স্টাইল ফলো করেন তবে আপনাদেরও তাদের সাথেই হাশর হবে। আল্লাহ আমাদেরকে জীবনের সব ক্ষেত্রে আল্লাহ, রাসূল (সা:) এবং সাহাবীদেরকে অনুসরণ করার তৌফিক দান করুক।
আকাশের ওপারে, অনিন্দ্য সুন্দর জান্নাতে আল্লাহ্ যেন আমাদেরকেও একটি করে ঘর বানিয়ে দেন। যে ঘরের পাশেই কোথাও প্রিয় নিবীজিও থাকবেন। কোথাও থাকবেন আবু বকর (রাঃ), কোথাও উমার (রাঃ)। আমরা সেদিন বলবো, দুনিয়াতে আপনাদেরকে আমরা ভালবাসতাম। সব বিষয়ে আপনাদের কথামতো চলতাম, আপনাদের নিজ হাতে তৈরী করা ইসলামী শাসন ব্যবস্থা তথা খিলাফত ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করেছিলাম। তাই জান্নাতে এসে একদিন আপনাদের সাথে মিলিত হওয়ার স্বপ্ন দেখতাম।
আল্লাহ্ যেন আমাদেরকে কবুল করেন। আমীন।
✦আরও পড়ুন
✦ প্রবন্ধ ✦শীঘ্রই ইহুদিরা পরাজিত হবে এবং জেরুজালেম ইসলামী খিলাফতের রাজধানী হবে ইনশাআল্লাহ
প্রবন্ধ
শীঘ্রই ইহুদিরা পরাজিত হবে এবং জেরুজালেম ইসলামী খিলাফতের রাজধানী হবে ইনশাআল্লাহ
ফিলিস্তিন হল মসজিদ আল-আকসার বাড়ি, মক্কার মসজিদ আল-হারামের পরে পৃথিবীতে নির্মিত দ্বিতীয় মসজিদ। এটি প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের…
✦ প্রবন্ধ ✦ঢাকা বিশ্বের ধীরতম শহরের তালিকায় প্রথম
প্রবন্ধ
ঢাকা বিশ্বের ধীরতম শহরের তালিকায় প্রথম
১৫২টি দেশের ১,২০০ টিরও বেশি শহরের ট্র্যাফিক বিশ্লেষণ করে একটি নতুন সমীক্ষা অনুসারে, বাংলাদেশের কোলাহলপূর্ণ রাজধানী ঢাকা বিশ্বের ধীরতম শহরের তালিকায়…
✦ প্রবন্ধ ✦মুসলমানদের জন্য রবিউল আউয়ালের শিক্ষা
প্রবন্ধ
মুসলমানদের জন্য রবিউল আউয়ালের শিক্ষা
হে মুসলমানগণ! রবিউল আউয়াল মাসে, সমস্ত মানবজাতির জন্য রহমতস্বরূপ, চূড়ান্ত নবী ও রসূল হিসাবে মুহাম্মদ (সাঃ)-কে নিযুক্ত করার ঘটনা ঘটেছিল। আবু আল-হাসান…