মূল লেখায় যান
হিকমাহHikmah
প্রবন্ধ

মুসলিম সেনাবাহিনীর দ্বায়িত্ব

২ মিনিটে পড়ুন১৮ আগস্ট ২০২১
মুসলিম সেনাবাহিনীর দ্বায়িত্ব
জমি রক্ষা করা এবং অন্যান্য ভূমিতে আক্রমণ করা, বেঁচে থাকার প্রবৃত্তির প্রকাশ যার ফলে সেনাবাহিনী গঠিত হয়। আজকের জাতি রাষ্ট্রগুলি তাদের সেনাবাহিনী গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একই মত পোষণ করে। কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা স্পষ্ট করেছেন যার জন্য সেনাবাহিনী তৈরি করতে হবে, নিম্নলিখিত আয়াতের মাধ্যমে,

যদি আল্লাহ মানবজাতির একদলকে অন্যদল দ্বারা প্রতিহত না করতেন, তাহলে পৃথিবী বিপর্যস্ত হয়ে যেত। কিন্তু আল্লাহ বিশ্ববাসীর উপর অনুগ্রহশীল। [আল-বাকারা - আয়াতঃ ২৫১]

তালুত এবং তার লোকদেরকে (যারা ভূমি দূষিত করেছিল) দাউদ (আ) এবং তার সৈন্যদের দ্ধারা পরাজিত করার পর আল্লাহ (সুবহানাহু ওয়া তায়ালা) এই কথাগুলো উল্লেখ করেছেন। বিশিষ্ট আলেম শায়খ আবু ইয়াসিন তার তাফসীরে এই আয়াতের উল্লেখ করেছেন, "আর যদি মানুষকে যুদ্ধ ও দুর্নীতি থেকে বিরত রাখতে আল্লাহর পথে যুদ্ধ করা বাধ্যতামূলক না হত, (পৃথিবী কলুষিত হতো) ”[তাইসির ফী উসুলি তাফসির]

ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন: "আর আল্লাহ যদি মুসলিম সৈন্যদের দিয়ে শত্রুকে বাধা না দিতো, তাহলে মুশরিকরা মুসলমানদের হত্যা করত এবং তাদের জমি ও মসজিদ ধ্বংস করত ”[তাফসীর কুরতুবী ৩/২৬০]।

সুতরাং, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা এখানে সেনাবাহিনীর ভূমিকা স্পষ্ট করেছেন, যা পৃথিবী থেকে তার সকল প্রকারের দুর্নীতি দূর করা। এটি আজকের জাতি রাষ্ট্র যেখানে সেনাবাহিনীকে যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তার সাথে সাংঘর্ষিক। তাদেরকে তাদের জাতির বিরুদ্ধে জাতীয় সীমান্তকে সম্মান করতে বলছে যারা তাদের নিজস্ব লোকদের ইসলাম থেকে দূরে সরিয়ে, তাদের হত্যা করে এবং তাদের বহিষ্কার করে। তারা সেনাবাহিনীকে জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে, যেসব দেশ পৃথিবীতে দুর্নীতির সৃষ্টি করে তাদের সাথে সহযোগিতা করার জন্য ডাকে। ফলস্বরূপ, সেনাবাহিনী দুর্নীতি দূর করার পরিবর্তে, দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে!

পৃথিবী থেকে দুর্নীতি দূর করা যা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে করা হয় তা কেবলমাত্র আমাদের রাসূল (সা:) আল্লাহর কাছ থেকে যে কুরআন নিয়ে এসেছেন তা প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমেই সম্ভব, যেমন

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেন, َْ“আমি আমার রসূলদেরকে সুস্পষ্ট প্রমাণসহ পাঠিয়েছি আর তাদের সঙ্গে অবতীর্ণ করেছি কিতাব ও (সত্য মিথ্যার) মানদন্ড যাতে মানুষ ইনসাফ ও সুবিচারের উপর প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।” [আল-হাদীদ - আয়াতঃ ২৫]

তাই মুসলিম সেনাবাহিনীর কাজ হচ্ছে ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য এগিয়ে আসা যেভাবে সা'দ ইবন মুয়াজ ও উসাইদ ইবন হুদাইর এর মতো মুসলিম কমান্ডাররা ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য এগিয়ে এসেছিলো।

✦আরও পড়ুন

সব দেখুন
প্রবন্ধ

শীঘ্রই ইহুদিরা পরাজিত হবে এবং জেরুজালেম ইসলামী খিলাফতের রাজধানী হবে ইনশাআল্লাহ

ফিলিস্তিন হল মসজিদ আল-আকসার বাড়ি, মক্কার মসজিদ আল-হারামের পরে পৃথিবীতে নির্মিত দ্বিতীয় মসজিদ। এটি প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের…

প্রবন্ধ

ঢাকা বিশ্বের ধীরতম শহরের তালিকায় প্রথম

১৫২টি দেশের ১,২০০ টিরও বেশি শহরের ট্র্যাফিক বিশ্লেষণ করে একটি নতুন সমীক্ষা অনুসারে, বাংলাদেশের কোলাহলপূর্ণ রাজধানী ঢাকা বিশ্বের ধীরতম শহরের তালিকায়…

প্রবন্ধ

মুসলমানদের জন্য রবিউল আউয়ালের শিক্ষা

হে মুসলমানগণ! রবিউল আউয়াল মাসে, সমস্ত মানবজাতির জন্য রহমতস্বরূপ, চূড়ান্ত নবী ও রসূল হিসাবে মুহাম্মদ (সাঃ)-কে নিযুক্ত করার ঘটনা ঘটেছিল। আবু আল-হাসান…