যারা রিলেশনশীপে আছেন!
৩ মিনিটে পড়ুন১ ডিসেম্বর ২০২০
যারা রিলেশনশীপে আছেন!!!
আপনি কি ভাবছেন, আমরা তো তওবা করেই নিব। ক্ষমা চেয়ে নিব! আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি নিশ্চয়ই মাফ করে দিবেন। ইসলাম এত কঠোর নাহ!
ইসলাম নিশ্চয়ই এতটাও সহজ নয় যে, কবীরা গুনাহ জানার পরও আপনি দিনের পর দিন আপনার রবের সাথে জেনেশুনে নাফরমানি করবেন, তাঁকে তওবা করার প্রতিশ্রুতি দিবেন, আর তিনি আপনাকে বিনা পাকড়াও ছাড় দিয়ে দিবে! নিশ্চয়ই নয়!
১. আচ্ছা বিয়ের পর তওবা করবেন, যদি বিয়ে করার আগেই মরে যান? আপনি নিশ্চিত কিভাবে বিয়ে পর্যন্ত বেঁচে থাকবেন? কত মানুষই তো আমার আপনার বয়সী বিভিন্ন কারণে মারা যাচ্ছে! আপনার মৃত্যু ওভাবে হবে না আপনি এত নিশ্চিত কিভাবে? যদি এরকম ঘটে তাহলে কি হবে ভেবেছেন? এই যিনা - ব্যভিচারের শাস্তির জন্য প্রস্তুত তো?
২. আপনি কি জানেন দোআ কবুল না হওয়ার একটি কারণ হচ্ছে 'হারামে লিপ্ত থাকা'? একটা ছোট খামখেয়ালীর জন্য নিজের আমল, ইবাদত, দ্বীনকে কেন হুমকির মুখে ফেলছেন?
৩. জেনেশুনে হারাম কে হারাম জেনেও ফিরে না আসাকে কি আপনার আল্লাহর সাথে নাফরমানি মনে হয় না? তাক্বওয়ার সাথে সাংঘর্ষিক নয় কি?
৪. বেশিরভাগই পরিবারের অমতে বিয়ে করবেনা! এই রিলেশনশীপ গ্যারান্টেড না! কোনো ঝামেলা হতে পারে। ব্রেকাপ হতে পারে। ফ্যামিলি না মিলতে পারে! তাহলে কার জন্য, কিসের আশায় রবের সাথে নাফরমানি করছেন?
“সে (শয়তান) প্রতিশ্রতি দেয় এবং মানুষের মনে মিথ্যা বাসনার সৃষ্টি করে। আসলে শয়তান তাদের যে ওয়াদা দেয় তা প্রতারণা ছাড়া আর কিছুইনা।”[সূরা আন নিসাঃ আয়াত ১২০]
অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত নারী পুরুষের কামনা (অন্তরের যিনা), হারাম দৃষ্টিপাত (চোখের যিনা), স্পর্শ করা (হাতের যিনা), অশ্লীল কথা বলা (কথার যিনা), বিভিন্ন প্রকার নোংরামি ও অশ্লীলতা এমনকি সর্বশেষ যিনা-ব্যভিচার, পরকীয়াতে লিপ্ত করে। এতো জঘন্য কাজে লিপ্ত থেকেও তারা এইগুলোতে জড়িত থাকে, কারণ শয়তান এই পাপগুলোকে তাদের কাছে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করে যে, তারা এইগুলোর মোহ থেকে বেড়িয়ে আসতে পারেনা।
প্রেম-ভালোবাসায় লিপ্ত থেকে বহু ছেলে সময়, পড়াশোনা ও জীবন নষ্ট করে, বহু মেয়ে প্রেমিকের মন রক্ষা করতে গিয়ে সতীত্ব নষ্ট করে গর্ভবতী হয়, এবোরশান করে সন্তান, নিজের স্বাস্থ্য ও জীবন নষ্ট করে। বছরের পর বছর অনিশ্চিত ঝুলে থাকে কবে বিয়ে হবে, শেষে বিয়ে হয়না, প্রেমিক/প্রেমিকা ধোঁকা দেয়।
আল্লাহ তায়ালা বলেন, “তোমরা ব্যভিচারের নিকটবর্তী হয়ো না। এটা অশ্লীল কাজ এবং নিকৃষ্ট আচরণ”। [সূরা বনী ইসরাঈল -৩২]
একটু মন দিয়ে ভাবুন...
প্রয়োজনে বিয়ে করে ফেলেন কিন্তু বিবাহপূর্ব রিলেশনশিপে জড়ানো যাবে না। অবশ্য বিয়ে করতে চাইলে আত্নীয় স্বজন, বন্ধু-বান্ধব মজা, হাসাহাসি করতে পারে; বলবে বিয়ে করার বয়স হইছে, বউকে খাওয়াবি কি? কেউ কেউ আবার বিয়ে পাগলা বলে ডাকবে।
কিন্তু কেউ যখন হারাম রিলেশনশিপে থাকে তখন তার কোন আত্নীয় স্বজন, বন্ধু -বান্ধব এসে বলে না এটা হারাম, তোর রিলেশন করার বয়স হয়নি। GF রে খাওয়াবি কি? আগে চাকরি কর তারপর রিলেশন করিছ। কেউ হাসাহাসি করে নাই উল্টো বলতো এগিয়ে যা তোর পাশে আছি, কোন সাহায্য লাগলে বলিস।
অথচ আমাদের উল্টোটা হওয়া উচিৎ ছিল। প্রকৃত বন্ধু তো সে যে আমাদের হারাম থেকে দূরে রাখবে, জান্নাতে যেতে সাহায্য করবে।
বর্তমানে পুঁজিবাদী এই জীবন ব্যবস্থা আমাদেরকে হারাম করাকে উৎসাহিত করে এবং হারাম করাকে সহজ করে দিসে। ইসলামী জীবন ব্যবস্থা বিয়ে করাকে সহজ করে দিবে যাতে একজন যুবক হালালভাবে সম্পর্কে পরিচালনা করতে পারে।
নিশ্চয়ই আল্লাহ উত্তম সাহায্যকারী। তাঁর কাছে সাহায্য চাইতে হবে! রবের নিকট প্রত্যাবর্তন করার এই তো সুযোগ!
আপনি কি ভাবছেন, আমরা তো তওবা করেই নিব। ক্ষমা চেয়ে নিব! আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি নিশ্চয়ই মাফ করে দিবেন। ইসলাম এত কঠোর নাহ!
ইসলাম নিশ্চয়ই এতটাও সহজ নয় যে, কবীরা গুনাহ জানার পরও আপনি দিনের পর দিন আপনার রবের সাথে জেনেশুনে নাফরমানি করবেন, তাঁকে তওবা করার প্রতিশ্রুতি দিবেন, আর তিনি আপনাকে বিনা পাকড়াও ছাড় দিয়ে দিবে! নিশ্চয়ই নয়!
১. আচ্ছা বিয়ের পর তওবা করবেন, যদি বিয়ে করার আগেই মরে যান? আপনি নিশ্চিত কিভাবে বিয়ে পর্যন্ত বেঁচে থাকবেন? কত মানুষই তো আমার আপনার বয়সী বিভিন্ন কারণে মারা যাচ্ছে! আপনার মৃত্যু ওভাবে হবে না আপনি এত নিশ্চিত কিভাবে? যদি এরকম ঘটে তাহলে কি হবে ভেবেছেন? এই যিনা - ব্যভিচারের শাস্তির জন্য প্রস্তুত তো?
২. আপনি কি জানেন দোআ কবুল না হওয়ার একটি কারণ হচ্ছে 'হারামে লিপ্ত থাকা'? একটা ছোট খামখেয়ালীর জন্য নিজের আমল, ইবাদত, দ্বীনকে কেন হুমকির মুখে ফেলছেন?
৩. জেনেশুনে হারাম কে হারাম জেনেও ফিরে না আসাকে কি আপনার আল্লাহর সাথে নাফরমানি মনে হয় না? তাক্বওয়ার সাথে সাংঘর্ষিক নয় কি?
৪. বেশিরভাগই পরিবারের অমতে বিয়ে করবেনা! এই রিলেশনশীপ গ্যারান্টেড না! কোনো ঝামেলা হতে পারে। ব্রেকাপ হতে পারে। ফ্যামিলি না মিলতে পারে! তাহলে কার জন্য, কিসের আশায় রবের সাথে নাফরমানি করছেন?
“সে (শয়তান) প্রতিশ্রতি দেয় এবং মানুষের মনে মিথ্যা বাসনার সৃষ্টি করে। আসলে শয়তান তাদের যে ওয়াদা দেয় তা প্রতারণা ছাড়া আর কিছুইনা।”[সূরা আন নিসাঃ আয়াত ১২০]
অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত নারী পুরুষের কামনা (অন্তরের যিনা), হারাম দৃষ্টিপাত (চোখের যিনা), স্পর্শ করা (হাতের যিনা), অশ্লীল কথা বলা (কথার যিনা), বিভিন্ন প্রকার নোংরামি ও অশ্লীলতা এমনকি সর্বশেষ যিনা-ব্যভিচার, পরকীয়াতে লিপ্ত করে। এতো জঘন্য কাজে লিপ্ত থেকেও তারা এইগুলোতে জড়িত থাকে, কারণ শয়তান এই পাপগুলোকে তাদের কাছে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করে যে, তারা এইগুলোর মোহ থেকে বেড়িয়ে আসতে পারেনা।
প্রেম-ভালোবাসায় লিপ্ত থেকে বহু ছেলে সময়, পড়াশোনা ও জীবন নষ্ট করে, বহু মেয়ে প্রেমিকের মন রক্ষা করতে গিয়ে সতীত্ব নষ্ট করে গর্ভবতী হয়, এবোরশান করে সন্তান, নিজের স্বাস্থ্য ও জীবন নষ্ট করে। বছরের পর বছর অনিশ্চিত ঝুলে থাকে কবে বিয়ে হবে, শেষে বিয়ে হয়না, প্রেমিক/প্রেমিকা ধোঁকা দেয়।
আল্লাহ তায়ালা বলেন, “তোমরা ব্যভিচারের নিকটবর্তী হয়ো না। এটা অশ্লীল কাজ এবং নিকৃষ্ট আচরণ”। [সূরা বনী ইসরাঈল -৩২]
একটু মন দিয়ে ভাবুন...
প্রয়োজনে বিয়ে করে ফেলেন কিন্তু বিবাহপূর্ব রিলেশনশিপে জড়ানো যাবে না। অবশ্য বিয়ে করতে চাইলে আত্নীয় স্বজন, বন্ধু-বান্ধব মজা, হাসাহাসি করতে পারে; বলবে বিয়ে করার বয়স হইছে, বউকে খাওয়াবি কি? কেউ কেউ আবার বিয়ে পাগলা বলে ডাকবে।
কিন্তু কেউ যখন হারাম রিলেশনশিপে থাকে তখন তার কোন আত্নীয় স্বজন, বন্ধু -বান্ধব এসে বলে না এটা হারাম, তোর রিলেশন করার বয়স হয়নি। GF রে খাওয়াবি কি? আগে চাকরি কর তারপর রিলেশন করিছ। কেউ হাসাহাসি করে নাই উল্টো বলতো এগিয়ে যা তোর পাশে আছি, কোন সাহায্য লাগলে বলিস।
অথচ আমাদের উল্টোটা হওয়া উচিৎ ছিল। প্রকৃত বন্ধু তো সে যে আমাদের হারাম থেকে দূরে রাখবে, জান্নাতে যেতে সাহায্য করবে।
বর্তমানে পুঁজিবাদী এই জীবন ব্যবস্থা আমাদেরকে হারাম করাকে উৎসাহিত করে এবং হারাম করাকে সহজ করে দিসে। ইসলামী জীবন ব্যবস্থা বিয়ে করাকে সহজ করে দিবে যাতে একজন যুবক হালালভাবে সম্পর্কে পরিচালনা করতে পারে।
নিশ্চয়ই আল্লাহ উত্তম সাহায্যকারী। তাঁর কাছে সাহায্য চাইতে হবে! রবের নিকট প্রত্যাবর্তন করার এই তো সুযোগ!
✦আরও পড়ুন
✦ প্রবন্ধ ✦শীঘ্রই ইহুদিরা পরাজিত হবে এবং জেরুজালেম ইসলামী খিলাফতের রাজধানী হবে ইনশাআল্লাহ
প্রবন্ধ
শীঘ্রই ইহুদিরা পরাজিত হবে এবং জেরুজালেম ইসলামী খিলাফতের রাজধানী হবে ইনশাআল্লাহ
ফিলিস্তিন হল মসজিদ আল-আকসার বাড়ি, মক্কার মসজিদ আল-হারামের পরে পৃথিবীতে নির্মিত দ্বিতীয় মসজিদ। এটি প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের…
✦ প্রবন্ধ ✦ঢাকা বিশ্বের ধীরতম শহরের তালিকায় প্রথম
প্রবন্ধ
ঢাকা বিশ্বের ধীরতম শহরের তালিকায় প্রথম
১৫২টি দেশের ১,২০০ টিরও বেশি শহরের ট্র্যাফিক বিশ্লেষণ করে একটি নতুন সমীক্ষা অনুসারে, বাংলাদেশের কোলাহলপূর্ণ রাজধানী ঢাকা বিশ্বের ধীরতম শহরের তালিকায়…
✦ প্রবন্ধ ✦মুসলমানদের জন্য রবিউল আউয়ালের শিক্ষা
প্রবন্ধ
মুসলমানদের জন্য রবিউল আউয়ালের শিক্ষা
হে মুসলমানগণ! রবিউল আউয়াল মাসে, সমস্ত মানবজাতির জন্য রহমতস্বরূপ, চূড়ান্ত নবী ও রসূল হিসাবে মুহাম্মদ (সাঃ)-কে নিযুক্ত করার ঘটনা ঘটেছিল। আবু আল-হাসান…