দায়িত্বশীলতা
২ মিনিটে পড়ুন১১ জুলাই ২০২০
দায়িত্বশীলতা
ইসলাম মানুষকে দায়িত্বশীল হওয়ার ব্যাপারে গুরুত্ব প্রদান করেছে। মানুষকে দায়িত্বশীল হওয়ার ব্যাপারে পবিত্র কোরানে আল্লাহ তায়ালা এবং বিভিন্ন হাদিসে রাসুল (সা.) উপদেশ প্রদান করেছেন। দায়িত্বশীল বা দায়িত্বনিষ্ঠ হওয়ার জন্য এসব উপদেশকে গ্রহণ করা উচিত এবং বাস্তব জীবনে আমলে নেয়া বাঞ্ছনীয়। দায়িত্বশীল হওয়া বা দায়িত্বনিষ্ঠা বলতে কী বোঝায়? একজন মানুষ যখন তার জীবনের প্রতিটি বিষয় এবং পদের সঠিক দায়িত্ব-কর্তব্য নির্ধারণ করে এবং সে অনুযায়ী দায়িত্ব-কর্তব্য পালন করে, তখনই সেটা হয় দায়িত্বশীলতা।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল আর সবাই তোমরা জিজ্ঞাসিত হবে নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে। ইমাম কিংবা দলনেতা একজন দায়িত্বশীল; তিনি তাঁর দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবেন। পুরুষ দায়িত্বশীল তার পরিবারের; সে জিজ্ঞাসিত হবে তার দায়িত্ব সম্পর্কে। মহিলা দায়িত্বশীল তার স্বামীর গৃহের (তার সম্পদ ও সন্তানের); সে জিজ্ঞাসিত হবে তার দায়িত্ব সম্পর্কে। ভৃত্যও একজন দায়িত্বশীল, সে জিজ্ঞাসিত হবে তার মুনিবের সম্পদ সম্পর্কে। (এককথায়) তোমরা সবাই দায়িত্বশীল আর সবাই জিজ্ঞাসিত হবে সে দায়িত্ব সম্পর্কে।’ [সহীহ বুখারী : ৭১৩৮; তিরমিযী : ১৭০৫]
একজন মানুষের জীবনে দায়িত্বশীলতা বা দায়িত্বনিষ্ঠার গুরুত্ব অনুধাবন করার জন্য নবীজির এই একটি বাণীই যথেষ্ট। নবীজির (সা.) গোটা জীবনকে তিনি দায়িত্বশীলতার সুন্দর রূপরেখায় পরিচালিত করেছেন। জগতের সর্বশ্রেষ্ঠ দায়িত্বশীল মানুষ ছিলেন তিনি। কেবল ইসলাম ও মুসলমানদের ব্যাপারে নয়, তিনি ছিলেন সব মানুষ, সব মাখলুকাতের ব্যাপারে দায়িত্বশীল। তার জীবনের প্রতিটি কাজ, প্রতিটি মুহূর্তের চলাফেরায় দায়িত্বজ্ঞানকে প্রাধান্য দিয়েছেন তিনি।
তোমরা প্রত্যেকেই একেকজন মেষপালক এবং মেষপালগুলোকে দেখাশোনা ও রক্ষনাবেক্ষনের দায়িত্বও তোমাদেরই। নেতা তার জনগনের উপর অভিভাবক এবং তাদের জন্য দায়িত্বশীল; অনুরূপভাবে, প্রত্যেকটি পুরুষ হল তার পরিবারের জন্য মেষপালক স্বরূপ; পরিবারের দেখাশোনা করা তার কর্তব্য। একজন নারীর ও স্বামীর সংসার এবং সন্তানদের অভিভাবক এবং তাদের সন্তানদের দেখাশোনা করা হল তার দায়িত্ব। মালিকের কাছে একজন ভৃত্য হল একজন মেষপালকের মতো যার দায়িত্বও অনুরূপ। একজন ভৃত্যের দায়িত্ব হল মালিকের সম্পদ রক্ষা করা। পিতার ধনসম্পদ রক্ষার জন্য প্রত্যেক পুত্রই একেকজন মেষপালক এবং পুত্রের কর্তব্যও অনুরূপ। তোমরা প্রত্যকেই একেকজন মেষপালক এবং প্রত্যকেরই সে অনুযায়ী দায়িত্ব রয়েছে। [সহীহ্ আল বুখারী; হাদিস নং:৫৮৩, ৬৭১৯, সহীহ্ মুসলিম;হাদিস নং:১৮২৯]
একজন খাঁটি মুসলমান হিসেবে, নবীজির (সা.) প্রকৃত অনুসারী হিসেবে আমাদের জীবনে দায়িত্বশীলতাকে প্রাধান্য দেয়া উচিত। আল্লাহ আমাদের সবাইকে তার আদেশ ও নবীজির (সা.) নির্দেশনা মেনে দায়িত্বশীল মানুষ হওয়ার তাওফিক দান করুন।
ইসলাম মানুষকে দায়িত্বশীল হওয়ার ব্যাপারে গুরুত্ব প্রদান করেছে। মানুষকে দায়িত্বশীল হওয়ার ব্যাপারে পবিত্র কোরানে আল্লাহ তায়ালা এবং বিভিন্ন হাদিসে রাসুল (সা.) উপদেশ প্রদান করেছেন। দায়িত্বশীল বা দায়িত্বনিষ্ঠ হওয়ার জন্য এসব উপদেশকে গ্রহণ করা উচিত এবং বাস্তব জীবনে আমলে নেয়া বাঞ্ছনীয়। দায়িত্বশীল হওয়া বা দায়িত্বনিষ্ঠা বলতে কী বোঝায়? একজন মানুষ যখন তার জীবনের প্রতিটি বিষয় এবং পদের সঠিক দায়িত্ব-কর্তব্য নির্ধারণ করে এবং সে অনুযায়ী দায়িত্ব-কর্তব্য পালন করে, তখনই সেটা হয় দায়িত্বশীলতা।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল আর সবাই তোমরা জিজ্ঞাসিত হবে নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে। ইমাম কিংবা দলনেতা একজন দায়িত্বশীল; তিনি তাঁর দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবেন। পুরুষ দায়িত্বশীল তার পরিবারের; সে জিজ্ঞাসিত হবে তার দায়িত্ব সম্পর্কে। মহিলা দায়িত্বশীল তার স্বামীর গৃহের (তার সম্পদ ও সন্তানের); সে জিজ্ঞাসিত হবে তার দায়িত্ব সম্পর্কে। ভৃত্যও একজন দায়িত্বশীল, সে জিজ্ঞাসিত হবে তার মুনিবের সম্পদ সম্পর্কে। (এককথায়) তোমরা সবাই দায়িত্বশীল আর সবাই জিজ্ঞাসিত হবে সে দায়িত্ব সম্পর্কে।’ [সহীহ বুখারী : ৭১৩৮; তিরমিযী : ১৭০৫]
একজন মানুষের জীবনে দায়িত্বশীলতা বা দায়িত্বনিষ্ঠার গুরুত্ব অনুধাবন করার জন্য নবীজির এই একটি বাণীই যথেষ্ট। নবীজির (সা.) গোটা জীবনকে তিনি দায়িত্বশীলতার সুন্দর রূপরেখায় পরিচালিত করেছেন। জগতের সর্বশ্রেষ্ঠ দায়িত্বশীল মানুষ ছিলেন তিনি। কেবল ইসলাম ও মুসলমানদের ব্যাপারে নয়, তিনি ছিলেন সব মানুষ, সব মাখলুকাতের ব্যাপারে দায়িত্বশীল। তার জীবনের প্রতিটি কাজ, প্রতিটি মুহূর্তের চলাফেরায় দায়িত্বজ্ঞানকে প্রাধান্য দিয়েছেন তিনি।
তোমরা প্রত্যেকেই একেকজন মেষপালক এবং মেষপালগুলোকে দেখাশোনা ও রক্ষনাবেক্ষনের দায়িত্বও তোমাদেরই। নেতা তার জনগনের উপর অভিভাবক এবং তাদের জন্য দায়িত্বশীল; অনুরূপভাবে, প্রত্যেকটি পুরুষ হল তার পরিবারের জন্য মেষপালক স্বরূপ; পরিবারের দেখাশোনা করা তার কর্তব্য। একজন নারীর ও স্বামীর সংসার এবং সন্তানদের অভিভাবক এবং তাদের সন্তানদের দেখাশোনা করা হল তার দায়িত্ব। মালিকের কাছে একজন ভৃত্য হল একজন মেষপালকের মতো যার দায়িত্বও অনুরূপ। একজন ভৃত্যের দায়িত্ব হল মালিকের সম্পদ রক্ষা করা। পিতার ধনসম্পদ রক্ষার জন্য প্রত্যেক পুত্রই একেকজন মেষপালক এবং পুত্রের কর্তব্যও অনুরূপ। তোমরা প্রত্যকেই একেকজন মেষপালক এবং প্রত্যকেরই সে অনুযায়ী দায়িত্ব রয়েছে। [সহীহ্ আল বুখারী; হাদিস নং:৫৮৩, ৬৭১৯, সহীহ্ মুসলিম;হাদিস নং:১৮২৯]
একজন খাঁটি মুসলমান হিসেবে, নবীজির (সা.) প্রকৃত অনুসারী হিসেবে আমাদের জীবনে দায়িত্বশীলতাকে প্রাধান্য দেয়া উচিত। আল্লাহ আমাদের সবাইকে তার আদেশ ও নবীজির (সা.) নির্দেশনা মেনে দায়িত্বশীল মানুষ হওয়ার তাওফিক দান করুন।
✦আরও পড়ুন
✦ প্রবন্ধ ✦শীঘ্রই ইহুদিরা পরাজিত হবে এবং জেরুজালেম ইসলামী খিলাফতের রাজধানী হবে ইনশাআল্লাহ
প্রবন্ধ
শীঘ্রই ইহুদিরা পরাজিত হবে এবং জেরুজালেম ইসলামী খিলাফতের রাজধানী হবে ইনশাআল্লাহ
ফিলিস্তিন হল মসজিদ আল-আকসার বাড়ি, মক্কার মসজিদ আল-হারামের পরে পৃথিবীতে নির্মিত দ্বিতীয় মসজিদ। এটি প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের…
✦ প্রবন্ধ ✦ঢাকা বিশ্বের ধীরতম শহরের তালিকায় প্রথম
প্রবন্ধ
ঢাকা বিশ্বের ধীরতম শহরের তালিকায় প্রথম
১৫২টি দেশের ১,২০০ টিরও বেশি শহরের ট্র্যাফিক বিশ্লেষণ করে একটি নতুন সমীক্ষা অনুসারে, বাংলাদেশের কোলাহলপূর্ণ রাজধানী ঢাকা বিশ্বের ধীরতম শহরের তালিকায়…
✦ প্রবন্ধ ✦মুসলমানদের জন্য রবিউল আউয়ালের শিক্ষা
প্রবন্ধ
মুসলমানদের জন্য রবিউল আউয়ালের শিক্ষা
হে মুসলমানগণ! রবিউল আউয়াল মাসে, সমস্ত মানবজাতির জন্য রহমতস্বরূপ, চূড়ান্ত নবী ও রসূল হিসাবে মুহাম্মদ (সাঃ)-কে নিযুক্ত করার ঘটনা ঘটেছিল। আবু আল-হাসান…