আপত্তিকর অবস্থায় পেলে ১০০ টাকা জরিমানা! হায়রে মানবরোচিত আইন!!!
২ মিনিটে পড়ুন১৩ আগস্ট ২০২১
কি এক পিকুলিয়ার জাতি আমরা! একটা নায়িকাকে নিয়ে পড়ে আছি আজ দিনের পর দিন। সবার ব্যাস্ততা তাকে নিয়েই। পরীমনি ইস্যুটাকে এতো হাইলাইট করে প্রশাসন আবার কোন বিষয়কে আড়াল করতে চাচ্ছে কে জানে!...
ধ্যান জ্ঞান সব! বুদ্ধিজীবি পাড়ায় চরম আন্দোলন, হতাশা, প্রতিবাদ।
পরীমনির সাথে অন্যায় করা হচ্ছে, হায়েনারা তাকে ছিঁড়েছুঁড়ে খাচ্ছে নাকি..একই পোশাকে এতদিন কেমনে থাকতে পারে!...
ব্যাক্তিগত বিষয়ে এমন নাক গলানোর কী আছে?
অথচ এই বুদ্ধিজীবী ভন্ডরাই মামুনুল হকের বেলায় দ্বিমুখী আচরণ করেছে। মজা করেছে, ট্রল করেছে। ফাঁসিও চেয়েছে। মনে হচ্ছিল মামুনুল হক মার্ডার করে ফেলেছে।
ঘটনা সংসদ পর্যন্তও গড়িয়েছিল।
সন্তানকে দিয়ে মায়ের ডায়রী পড়িয়ে জাতিকে শুনিয়েছিল আমাদের মিডিয়াকুল।
কয়েকমাসের ব্যাবধানে হওয়া ২টা ঘটনায় আমাদের ২ রকম আচরণ। দুই রকম চরিত্র। এইসব ভন্ড বুদ্ধিজীবি, মিডিয়ার রকম আচরণ দেখে প্রশংসা করতেই হয়! এই পঁচা পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় কত যে ভন্ডামি দেখবো!!!
পরীমনির বেলায় আজ প্রশাসন বলছে এটা '১০০ টাকার মামলা' আমাদের তেমন কিছু করার নেই। দেশের আইনে আপত্তিকর অবস্থায় কাউকে হাতেনাতে পেলে মাত্র একশ টাকা জরিমানা করা ছাড়া আর কিছুই করার নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার (ডিএমপি) শফিকুল ইসলাম। আর হাতেনাতে ধরতে না পারলে তো আর কোনো সুযোগ নাই।
পরিমনিদের মতো হাজারো পরীমনিকে জন্ম দেয়া মানবরোচিত এই পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় অশ্লীলতা, পরোকিয়া করলে আইনের চোখে এটি খুবই ছোট অপরাধ।
দেশে মদ উৎপাদন হয়, আমদানি হয়, বিক্রি হয়। যে ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হচ্ছে সে ব্যক্তি ক্লাবে বা বারে গিয়ে মদ খেতে পারছে। কিন্তু কেউ মদ রাখলে অপরাধ!! লাইসেন্স দিয়ে মদদ রাখতে পারবে। ভণ্ডামি আরকি!
নবী কারীম (সা:) স্পষ্ট বলেছেন : 'সর্বপ্রকার অপকর্ম এবং অশ্লীলতার জন্মদাতা হচ্ছে মদ [ইবন মাজাহ – ৩৩৭১]
মানবরোচিত আইন মানেই দ্বিচারিতা, ভণ্ডামি। এই পুঁজিবাদী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে না বলুন এবং অশ্লীলতা, বেহায়াপনামুক্ত, মাদকমুক্ত ইসলামিক ব্যবস্থাকে ফিরিয়ে আনার জন্য চেষ্টা করুন।
ধ্যান জ্ঞান সব! বুদ্ধিজীবি পাড়ায় চরম আন্দোলন, হতাশা, প্রতিবাদ।
পরীমনির সাথে অন্যায় করা হচ্ছে, হায়েনারা তাকে ছিঁড়েছুঁড়ে খাচ্ছে নাকি..একই পোশাকে এতদিন কেমনে থাকতে পারে!...
ব্যাক্তিগত বিষয়ে এমন নাক গলানোর কী আছে?
অথচ এই বুদ্ধিজীবী ভন্ডরাই মামুনুল হকের বেলায় দ্বিমুখী আচরণ করেছে। মজা করেছে, ট্রল করেছে। ফাঁসিও চেয়েছে। মনে হচ্ছিল মামুনুল হক মার্ডার করে ফেলেছে।
ঘটনা সংসদ পর্যন্তও গড়িয়েছিল।
সন্তানকে দিয়ে মায়ের ডায়রী পড়িয়ে জাতিকে শুনিয়েছিল আমাদের মিডিয়াকুল।
কয়েকমাসের ব্যাবধানে হওয়া ২টা ঘটনায় আমাদের ২ রকম আচরণ। দুই রকম চরিত্র। এইসব ভন্ড বুদ্ধিজীবি, মিডিয়ার রকম আচরণ দেখে প্রশংসা করতেই হয়! এই পঁচা পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় কত যে ভন্ডামি দেখবো!!!
পরীমনির বেলায় আজ প্রশাসন বলছে এটা '১০০ টাকার মামলা' আমাদের তেমন কিছু করার নেই। দেশের আইনে আপত্তিকর অবস্থায় কাউকে হাতেনাতে পেলে মাত্র একশ টাকা জরিমানা করা ছাড়া আর কিছুই করার নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার (ডিএমপি) শফিকুল ইসলাম। আর হাতেনাতে ধরতে না পারলে তো আর কোনো সুযোগ নাই।
পরিমনিদের মতো হাজারো পরীমনিকে জন্ম দেয়া মানবরোচিত এই পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় অশ্লীলতা, পরোকিয়া করলে আইনের চোখে এটি খুবই ছোট অপরাধ।
দেশে মদ উৎপাদন হয়, আমদানি হয়, বিক্রি হয়। যে ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হচ্ছে সে ব্যক্তি ক্লাবে বা বারে গিয়ে মদ খেতে পারছে। কিন্তু কেউ মদ রাখলে অপরাধ!! লাইসেন্স দিয়ে মদদ রাখতে পারবে। ভণ্ডামি আরকি!
নবী কারীম (সা:) স্পষ্ট বলেছেন : 'সর্বপ্রকার অপকর্ম এবং অশ্লীলতার জন্মদাতা হচ্ছে মদ [ইবন মাজাহ – ৩৩৭১]
মানবরোচিত আইন মানেই দ্বিচারিতা, ভণ্ডামি। এই পুঁজিবাদী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে না বলুন এবং অশ্লীলতা, বেহায়াপনামুক্ত, মাদকমুক্ত ইসলামিক ব্যবস্থাকে ফিরিয়ে আনার জন্য চেষ্টা করুন।

