বাড়ির ট্যাক্স ভাড়াটিয়াদের উপর জুলুম করার আরেকটি পদ্ধতি
১ মিনিটে পড়ুন১০ আগস্ট ২০২০
এই পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় সরকার জনগণকে হাজারো রকমের ট্যাক্স দিতে বাধ্য করছে, তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে বাড়ির মালিকের উপর নির্ধারিত ট্যাস্ক যা বাড়ির মালিক ভাড়াটিয়াদের উপর চাপিয়ে আদায় করে থাকে
হোল্ডিং ট্যাক্স ৭ শতাংশ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ৭ শতাংশ ও স্ট্রিট লাইটের উপর ৫ শতাংশ, স্বাস্থ্যকর ৮ শতাংশ কর বাড়বে। সুতরাং, নতুন কর ব্যবস্থায়, কোনও বিল্ডিংয়ের মালিককে 27 শতাংশ কর দিতে হবে। তা ছাড়া বিল্ডিংয়ের মালিকদের কাছ থেকে ৩ শতাংশ পানির কর আদায় করা হয়।
সুতরাং, একটি বিল্ডিংয়ের মালিক যদি বিল্ডিং থেকে বছরে ১ লাখ টাকা উপার্জন করে তবে তাকে সর্বমোট ট্যাক্স হিসাবে ২৭,০০০ টাকা দিতে হবে যা আগে ছিল ১২,০০০ টাকা। তাছাড়া বিল্ডিং মালিককে জল কর প্রযোজ্য হলে আরও ৩,০০০ টাকা দিতে হয়।
বাড়ির মালিককে সরকার নির্ধারিত এই ট্যাক্স এর টাকা আদায় করে জন্য ভাড়াটিয়াদের উপর চাপিয়ে দিতে হয়।
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, যে অন্যায়ভাবে অতিরিক্ত কর গ্রহণ করে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না। (আল-হাকিম)
হোল্ডিং ট্যাক্স ৭ শতাংশ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ৭ শতাংশ ও স্ট্রিট লাইটের উপর ৫ শতাংশ, স্বাস্থ্যকর ৮ শতাংশ কর বাড়বে। সুতরাং, নতুন কর ব্যবস্থায়, কোনও বিল্ডিংয়ের মালিককে 27 শতাংশ কর দিতে হবে। তা ছাড়া বিল্ডিংয়ের মালিকদের কাছ থেকে ৩ শতাংশ পানির কর আদায় করা হয়।
সুতরাং, একটি বিল্ডিংয়ের মালিক যদি বিল্ডিং থেকে বছরে ১ লাখ টাকা উপার্জন করে তবে তাকে সর্বমোট ট্যাক্স হিসাবে ২৭,০০০ টাকা দিতে হবে যা আগে ছিল ১২,০০০ টাকা। তাছাড়া বিল্ডিং মালিককে জল কর প্রযোজ্য হলে আরও ৩,০০০ টাকা দিতে হয়।
বাড়ির মালিককে সরকার নির্ধারিত এই ট্যাক্স এর টাকা আদায় করে জন্য ভাড়াটিয়াদের উপর চাপিয়ে দিতে হয়।
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, যে অন্যায়ভাবে অতিরিক্ত কর গ্রহণ করে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না। (আল-হাকিম)

