সংসার খরচ বাড়ছে তো বাড়ছেই
২2 মিনিটে পড়ুনmin read১০ আগস্ট ২০২০10 August 2020
• গত ১০ বছরে আটবার খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হলো। বিদ্যুতের এই দাম বাড়ার প্রভাব কেবল বাসাবাড়িতে পড়বে তা নয়, কৃষি ও শিল্পপণ্যের উৎপাদন খরচও এতে বৃদ্ধি পাবে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন, ‘গত ১০ বছরে সরকার বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি দিয়েছে ৫২ হাজার ২৬০ কোটি টাকা।’ গত ৭ ডিসেম্বর ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়, কোনো বিদ্যুৎ উৎপাদন না করেই বেসরকারি কোম্পানিগুলো গত ১০ বছরে উঠিয়ে নিয়েছে ৫১ হাজার ১৫৭ কোটি টাকা। অলস বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ২০১৮ সালে পিডিবি ক্যাপাসিটি চার্জ গুনেছে ৬ হাজার ২৪১ কোটি টাকা এবং ২০১৯ সালে ৮ হাজার ৯২৩ কোটি টাকা। ভর্তুকির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের টাকা এভাবে তুলে দেওয়া হচ্ছে কিছু কোম্পানির হাতে। দুই দফায় এর মাশুল দিচ্ছে সাধারণ মানুষ: একবার করের টাকা দিয়ে অপ্রয়োজনীয় ভর্তুকির মাধ্যমে, আরেকবার ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের মূল্য পরিশোধে বাধ্য হয়ে। এই লাগাতার ভর্তুকি মেটাতে সরকার বারবার বিদ্যুতের দাম বাড়াচ্ছে।
ক্ষমতাবলয়ের দুর্নীতির চৌহদ্দিতে থাকা লোকেদের কুপ্রভাবে অকারণে রাষ্ট্রের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। দলীয় ব্যবসায়ীদের দিয়ে রাষ্ট্রের তহবিল লুটের এমন বেসরকারিকরণ নজিরবিহীন। সামিট পাওয়ারের ১১টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন সক্ষমতা ১ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট। কিন্তু এই কেন্দ্রগুলোকে কখনোই সক্ষমতার অর্ধেকেও ব্যবহার করা হয়নি। বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থে বারবার উচ্চমূল্যের কুইক রেন্টাল ও ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নবায়ন করা হয়েছে। দেশের ১২৪টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ১৭৪৩ মেগাওয়াট। ছাড়াও নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে পাওয়া যাচ্ছে ২৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।
• চালের দাম বাড়ানো হয়েছে কয়েক দফা। বেড়েছে চিনি, ভোজ্যতেল, ডাল, পেঁয়াজ ও রসুনের দাম।
• ১২ বছরে ১৩ বার বেড়েছে পানির দাম। একই সময়ে পানির দাম প্রায় চার গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০০৯ সালে ঢাকায় আবাসিক গ্রাহকদের জন্য পানির দাম ছিল প্রতি ইউনিট (১ হাজার লিটার) ৫ টাকা ৭৫ পয়সা। দাম বাড়ানোর কারণে আগামী এপ্রিল, ২০২০ থেকে তা হচ্ছে ২০ টাকা। প্রতি এক হাজার লিটার পানির অভিকর আবাসিকে ১১.৫৭ টাকার স্থলে ১৪.৪৬ টাকা এবং বাণিজ্যিকে ৩৭.০৪ টাকার স্থলে ৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বর্তমানে ঢাকা ওয়াসার তিনটি পানি শোধনাগার এবং ৯৩০টি গভীর নলকূপ রয়েছে। তবে গভীর নলকূপ চালু রয়েছে ৮৭০টি। বর্তমানে ওয়াসার পানি উৎপাদনক্ষমতা ২৬০ কোটি লিটার। আর চাহিদা রয়েছে ২৩৫ কোটি থেকে ২৪০ কোটি লিটার। চাহিদার চেয়ে উৎপাদন বেশি হলেও রাজধানীর ৩ লাখ ৭৫ হাজার গ্রাহকের মধ্যে বেশির ভাগই পানির মান নিয়ে সন্তুষ্ট নয়। কারণ, দাম বাড়লেও সে তুলনায় পানির মান ভালো হচ্ছে না।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন, ‘গত ১০ বছরে সরকার বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি দিয়েছে ৫২ হাজার ২৬০ কোটি টাকা।’ গত ৭ ডিসেম্বর ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়, কোনো বিদ্যুৎ উৎপাদন না করেই বেসরকারি কোম্পানিগুলো গত ১০ বছরে উঠিয়ে নিয়েছে ৫১ হাজার ১৫৭ কোটি টাকা। অলস বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ২০১৮ সালে পিডিবি ক্যাপাসিটি চার্জ গুনেছে ৬ হাজার ২৪১ কোটি টাকা এবং ২০১৯ সালে ৮ হাজার ৯২৩ কোটি টাকা। ভর্তুকির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের টাকা এভাবে তুলে দেওয়া হচ্ছে কিছু কোম্পানির হাতে। দুই দফায় এর মাশুল দিচ্ছে সাধারণ মানুষ: একবার করের টাকা দিয়ে অপ্রয়োজনীয় ভর্তুকির মাধ্যমে, আরেকবার ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের মূল্য পরিশোধে বাধ্য হয়ে। এই লাগাতার ভর্তুকি মেটাতে সরকার বারবার বিদ্যুতের দাম বাড়াচ্ছে।
ক্ষমতাবলয়ের দুর্নীতির চৌহদ্দিতে থাকা লোকেদের কুপ্রভাবে অকারণে রাষ্ট্রের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। দলীয় ব্যবসায়ীদের দিয়ে রাষ্ট্রের তহবিল লুটের এমন বেসরকারিকরণ নজিরবিহীন। সামিট পাওয়ারের ১১টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন সক্ষমতা ১ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট। কিন্তু এই কেন্দ্রগুলোকে কখনোই সক্ষমতার অর্ধেকেও ব্যবহার করা হয়নি। বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থে বারবার উচ্চমূল্যের কুইক রেন্টাল ও ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নবায়ন করা হয়েছে। দেশের ১২৪টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ১৭৪৩ মেগাওয়াট। ছাড়াও নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে পাওয়া যাচ্ছে ২৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।
• চালের দাম বাড়ানো হয়েছে কয়েক দফা। বেড়েছে চিনি, ভোজ্যতেল, ডাল, পেঁয়াজ ও রসুনের দাম।
• ১২ বছরে ১৩ বার বেড়েছে পানির দাম। একই সময়ে পানির দাম প্রায় চার গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০০৯ সালে ঢাকায় আবাসিক গ্রাহকদের জন্য পানির দাম ছিল প্রতি ইউনিট (১ হাজার লিটার) ৫ টাকা ৭৫ পয়সা। দাম বাড়ানোর কারণে আগামী এপ্রিল, ২০২০ থেকে তা হচ্ছে ২০ টাকা। প্রতি এক হাজার লিটার পানির অভিকর আবাসিকে ১১.৫৭ টাকার স্থলে ১৪.৪৬ টাকা এবং বাণিজ্যিকে ৩৭.০৪ টাকার স্থলে ৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বর্তমানে ঢাকা ওয়াসার তিনটি পানি শোধনাগার এবং ৯৩০টি গভীর নলকূপ রয়েছে। তবে গভীর নলকূপ চালু রয়েছে ৮৭০টি। বর্তমানে ওয়াসার পানি উৎপাদনক্ষমতা ২৬০ কোটি লিটার। আর চাহিদা রয়েছে ২৩৫ কোটি থেকে ২৪০ কোটি লিটার। চাহিদার চেয়ে উৎপাদন বেশি হলেও রাজধানীর ৩ লাখ ৭৫ হাজার গ্রাহকের মধ্যে বেশির ভাগই পানির মান নিয়ে সন্তুষ্ট নয়। কারণ, দাম বাড়লেও সে তুলনায় পানির মান ভালো হচ্ছে না।
✦আরও পড়ুনRead more
✦ বিশ্লেষণ ✦বয়ফ্রেন্ড না ব্যভিচার
বিশ্লেষণAnalysis
বয়ফ্রেন্ড না ব্যভিচার
১৬ আগস্ট ২০২২16 August 2022নয়া দিগন্ত
✦ বিশ্লেষণ ✦ইসলামী উম্মাহ বনাম জাতি রাষ্ট্র
বিশ্লেষণAnalysis
ইসলামী উম্মাহ বনাম জাতি রাষ্ট্র
১৮ আগস্ট ২০২১18 August 2021নয়া দিগন্ত
✦ বিশ্লেষণ ✦আপত্তিকর অবস্থায় পেলে ১০০ টাকা জরিমানা! হায়রে মানবরোচিত আইন!!!
বিশ্লেষণAnalysis
আপত্তিকর অবস্থায় পেলে ১০০ টাকা জরিমানা! হায়রে মানবরোচিত আইন!!!
কি এক পিকুলিয়ার জাতি আমরা! একটা নায়িকাকে নিয়ে পড়ে আছি আজ দিনের পর দিন। সবার ব্যাস্ততা তাকে নিয়েই। পরীমনি ইস্যুটাকে এতো হাইলাইট করে প্রশাসন আবার কোন…
১২ আগস্ট ২০২১12 August 2021